তারেক মাহমুদ, লক্ষ্মীপুর:
বিএনপির শাসনামলে দেশে ১২৫টি জঙ্গিগোষ্ঠী প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বিএনপি সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। কারণ তাদের নেতাই হলো সন্ত্রাসী। বিএনপির নেতা কে? তাদের নেতা হল তারেক রহমান। আন্তর্জাতিকভাবে আদালত কর্তৃক স্বীকৃত সন্ত্রাসী আসামি। দণ্ডপ্রাপ্ত খুনি, দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত। এই বাংলাদেশে যত মৌলবাদী, উগ্রবাদী, হিযবুত তাওহীদ,বাংলা ভাই, হরকতুল জিহাদসহ এমন অনেক নাম আছে প্রত্যেকটি জঙ্গি সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক ছিল তারেক রহমান। প্রত্যেক জঙ্গি সংগঠনের হাওয়া ভবনের সাথে যোগাযোগ ছিল এবং তারা স্বীকার করেছে তাদের পৃষ্ঠপোষক ছিল তারেক রহমান।
সোমবার ১০ সেপ্টেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন,বিএনপি বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদের চারণভূমি বানিয়েছিল। তাদের অর্জন বলতে কিছু ছিল না। সর্বব্যাপী দুর্নীতি ও ব্যর্থতা ছিল। আমি বহুবার তাদের কাছে জানতে চেয়েছি পাঁচ বছরে দেশের উন্নয়নে ভালো কোনো কাজ করেছেন কি না? একটি অর্জনের নাম বলুন। তারা বলতে পারেনি। কারণ বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে তাদের কোনো অর্জন ছিল না। হাওয়া ভবন বানিয়ে হত্যা, সন্ত্রাসে নেতৃত্ব দেয়া ছাড়া আর কোনো কাজ তারা করতে পারেনি। আর এখন মির্জা ফখরুলরা বড়ো বড়ো কথা বলেন।
উক্ত সম্মেলন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ মুরাদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল ওয়াহেদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, ক্রীড়া সম্পাদক হারুনুর রশিদ ও তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। এছাড়া প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন।
তাছাড়া ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন উদ্ভোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু।
এছাড়াও সম্মেলনে লক্ষ্মীপুর পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভুঁইয়া, সদর আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী,সামসুর ইসলাম পাটোয়ারী,জেলা যুবলীগ সভাপতি এ কে এম সালাহ উদ্দিন টিপু সহ প্রমুখ ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।






