ভোলায় আওয়ামীলীগ কর্মীদের হামলায় আহত হাতপাখার চেয়ারম্যান প্রার্থী তোফায়েল আহমাদ

মিজানুর রহমান, ভোলাঃ
ভোলার লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাতপাখা প্রতিকের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী আলহাজ্ব মাওলানা তোফায়েল আহমেদের উপর একই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ফরহাদ হোসেন মুরাদের সমর্থক কর্তৃক অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে।

গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১০ টার দিকে দলীয় পরামর্শ সেরে বাড়ি ফেরার পথে তার ওপর এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এ হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হন হাতপাখার চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মাওলানা তোফায়েল আহমেদ । তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভোলা সদর মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুরাদ হোসেন প্রেজেন্ট নিউজ কে বলেন, আমরা ঘটনা জেনেছি এবং আহত ভিকটিমকে দেখেছি। এখনও আমাদের কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি তবে আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি এবং এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ আসলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

উল্লেখ্য, আগামী ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে হাতপাখা প্রতিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ। অপরদিকে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ফরহাদ হোসেন মুরাদ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামী যুব আন্দোলন লালমোহন উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুছা কালিমুল্লাহ প্রেজেন্ট নিউজকে জানান, গত কয়েকদিন আগ থকেই আওয়ামীলীগের সমর্থকরা মুরাদের পক্ষে নির্বাচনী কাজ করা স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীকে নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা সহ বিভিন্ন ধরণের হুমকি-ধমকি দিয়ে তাকে প্রার্থীতা উঠিয়ে নেয়ার কঠোর চাপ দিয়ে আসছে।

এ বিষয় নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার নেতৃবৃন্দসহ দুদিন আগে স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে লিখিত একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির দাবি জানাইলে নির্বাচন অফিস থেকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীকে সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাসও দিয়েছেন। কিন্তু তারপরও হাতপাখার প্রার্থীর উপর রাতের আধারে বর্বোরচিত হামলা করেছে আওয়ামী লীগ সমর্থকরা।

শুধু তাই নয় তার উপর বর্বর হামলা করে তাকে মাটিতে ফেলে রেখে মোটরসাইকেল ও টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা না করার হুমকিও দেয়।

এদিকে এ ঘটনার কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের ভোলার নেতৃবৃন্দ। এ বিষয়ে তারা আজ সংবাদ সম্মেলন করাসহ সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কঠোর প্রতিবাদ ও আন্দোলনের ঘোষনা দিতে পারেন বলে জানা গেছে।

আরো পড়ুন পোস্ট করেছেন

Comments

লোড হচ্ছে...