মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেতে অস্বীকৃতি কাশ্মিরের নেতাদের

0
32

জম্মু ও কাশ্মিরের আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর ৩২ নেতার মুক্তির ব্যাপারে আলোচনা শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে তাদের সেই মুক্তি নিঃশর্ত হবে না; কিন্তু নেতাদের বেশ কয়েকজন প্রশাসনের কথা মতো মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পাওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছেন। তারা বলছেন, এর মাধ্যমে কাশ্মিরের নেতাদের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেয়া হবে।

ভারতের ইংরেজী দৈনিক দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়েছে, গত ১০ দিনে কাশ্মির প্রশাসনের এক কর্তকর্তা তিন বারেরও বেশি নেতাদের সাথে দেখা করেছেন। এর মধ্যে ছিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্স, পিডিপি, পিপলস কনফারেন্স এবং জম্মু ও কাশ্মির পিপলস মুভমেন্টের মতো দলের নেতারা। নেতাদের সাথে তাদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করেন ওই কর্মকর্তা।

একটি সূত্র জানিয়েছে, ওই কর্মকর্তা মুক্তি পেতে নেতাদের মুচলেকায় স্বাক্ষর করতে বলেন। কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে নিশ্চিত করেছেন যে, ন্যাশনাল কনফারেন্সের শীর্ষ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আলী মুহাম্মাদ সাগর, পিডিপির নেতা সাবেক মন্ত্রী নাইম আখতার, পিপলস কনফারেন্সের প্রধান ও সাবেক মন্ত্রী সাজাদ লোন এবং জেএন্ডকে পিপলস মুভমেন্টের প্রধান শাহ ফয়সাল মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেতে অস্বীকার করেছেন।

সূত্র জানিয়েছে, আলী মুহাম্মাদ সাগর ও নাইম আখতার সরকারের এই প্রস্তাবের জবাবে বলেছেন, এই মুচলেকা নেয়ার উদ্দেশ্য কাশ্মিরের রাজনৈতিক নেতাদের অধিকার খর্ব করা, স্থানীয়দের চোখে রাজনীতিকদের ছোট করে উপস্থাপন করা।

এদিকে সোমবার দুই নেতাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। তারা হলেন কাশ্মির পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট নেতা হাকিম ইয়াসিন ও পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা মোহাম্মাদ আশরাফ মীর।

গত ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে। এরপর কাশ্মিরে বিক্ষোভের আশঙ্কায় অঞ্চলটিকে অবরুদ্ধে ও অচল করে রাখে। গ্রেফতার করা হয় সব রাজনীতিকদের। কয়েক হাজার তরুণ কাশ্মিরীকেও গ্রেফতার করা হয়।/এমএমআর