সুশাসন ও ইসলাম : শেখ ফজলুল করীম মারুফ

0
34

পৃথিবীতে মানুষ আগমনের পর থেকে দিন দিন মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কিন্তু তার সাথে তাল মিলিয়ে সম্পদের পরিমান বৃৃদ্ধি পায়নি। একই সাথে চুড়ান্ত সৃষ্টিশীল ও বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন জীব হিসেবে মানুষের চাহিদার মাত্রাও অসীম কিন্তু সম্পদকে অসীম মাত্রায় নিয়ে যাওয়া সম্ভবনা। এই সসীম সম্পদ দিয়ে অসীম অভাব পুরনের বাধ্যবাধকতার কারনেই পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছে সংঘাত। মানুষের বহুমাত্রিক স্বার্থ রক্ষা, পরস্পর সাংঘরষিক অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষন থেকে উৎসাহিত সংঘাত-যুদ্ধ-হানাহানি থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য, কারো ক্ষতি সাধন না করে প্রত্যেকের স্বার্থ ও অধিকার সংরক্ষন করা এবং সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে অসীম অভাবের মধ্যে থেকে জরুরী অভাব পুরন সমন্নয় করতেই সামনে এসেছে “সার্বভৌমত্ব” তত্ত্বের মানুষের এই সব সংঘাত নিরসনে, অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান কল্পে কোন শক্তিকে চূড়ান্ত ক্ষমতাধর হিসেবে বিবেচনা করা হবে, কার কাছে নিরংকুশ আনুগত্য প্রর্দশন করা হবে, কাকে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক মনে করা হবে সেটা নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ সৃষ্টি হয়েছে। প্রাচীন কালে গোত্রপ্রাধান, এরপরে রাজা, সম্রাট, সামন্ত রাজা, এভাবে পর্যায়ক্রমে জনগনকে, সমাজকে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। আর ইসলাম শুরু থেকে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক হিসেবে মানুষ সহ গোটাজগতের সৃষ্টি কর্তাকে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক বলে ঘোষনা দিয়ে আসছে। সে যাই হোক, সার্বভৌমত্ব একটি ধারনা বা বিশ্বাসের নাম। যা বস্তগত না, ধারনাগত। সেই ধারনাগত তত্ব থেকে উদ্ধুদ্ধ মৌলিক নীতি মালা, কৌশল ও কার্যাবলী পরিচালনা করার জন্য একদল পরিচালক নির্ধারণ করা হয়। যেই পরিচালক সর্বভৌম ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে সমাজে, রাষ্ট্রে সংঘাত নিবারণ করেন, মানুষের শাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে। একেই আধুনিক পরিভাষায় সরকার বলা হয়। সরকারবিহিন কোন জনসমষ্টির কল্পনা করা যায়না। এই সরকারগুলোর কার্যক্রমকে “ভালো বা খারাপ” ইত্যাদি অভিধায় বিশেষায়িত করা যায়।
সরকারের কার্যক্রম যদি ভালো হয় তাহলে তাকে সুশাসন বলা হয়। আর খারাপ হলে ব্যাড গভর্নেন্স বলা হয়।
চলমান বিশ্বে সুশাসন বহুল আলোচিত একটি শব্দ। সুশাসন নিশ্চিত করার উপরে সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন তত্বের আবিষ্কার হয়েছে, পন্থা ঠিক করা হয়েছে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে বিভিন্ন দেশের ওপরে আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। আলোচ্য নিবন্ধে আমরা সুশাসনের স্বরূপ এবং ইসলামের ক্ষেত্রে নির্দেশনা কি তা আলোচনা করার প্রয়াস পাবো ইনশা আল্লাহ।

সুশাসন কি?
এখানে দুইটা শব্দ। একটা হলো শাসন। আরেকটা good বা ভালো শাসন। Governance কে শাসন

“The process of decision making and the process by which the decisions are implemented or not implemented”

“কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া এবং সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা বা না করার প্রক্রিয়া কে Governance বা শাসন ব্যবস্থা বলা হয়।
সিদ্ধান্ত নেয়া ও তা বাস্তবায়ন করা বা না করার যে প্রক্রিয়া তাতে কেবল সরকারেরই একমাত্র ভূমিকা থাকে তা না বরং এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে আরো অনেকের ভূমিকা থাকে। ভূমির মালিক, শ্রমজীবী মানুষ, শিল্পপতি, ধর্মীয় নেুা, বিভিন্ন সামাজিক পেশাজীবি সংগঠন এবং সর্বোপরি সাধারাণ মানুষ। এর অর্থ হলো শাসনপ্রক্রিয়ার মানে কেবল সরকারী কর্মকা- না বরং স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত কার্যক্রম।
সুশাসন কাকে বলে?
সুশাসন কাকে বলে সেটা নিয়ে বিভিন্ন মতামত আছে। বিশ্বব্যাংক, IMF, জাতিসংঘ ইণ্যাদি সংস্থা কিছু বৈশিষ্ট ঠিক করে দিয়েছে সেই সব বৈশিষ্ট পাওয়া গেলে তবে সেই শাসনকে সুশাসন বলা হবে।

বিশ্বব্যাংকের ঠিক করা বৈশিষ্টগুলো হলো
১। Voice and accountability : বাকস্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা
২। Political stability and lack of violence : রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সহিংসহতামুক্ত থাকা
৩। Governance effectiveness : কার্যকর সরকার ব্যবস্থা
৪। Regulator quality : বিভিন্ন সংস্থার নিয়ন্ত্রিত মান
৫। Rule of law : আইনের শাসন
৬। Control of corruption : দুর্নীতি দমন

জাতিসংঘের ঠিককরা মাপকাঠি বা indicator গুলো হলো :
১। Consensus oriented
২ । Participator
৩ । Rule of law
৪ । Effective and efficient
৫ । accountable
৬ । Transparent
৭ । Responsive
৮ । Equitable and inclusive

নির্দেশিত ব্যাংক ও জাতিসংঘের নির্দেশিত Indicator বা নির্দেশক গুলোকে বিবেচনায় নিলে সুশাসন বলতে এমন একটা শাসন ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে জনুা তাদের অধিকার নিয়ে উচ্চকিত হতে পারে, প্রশাসন জনুার কাছে জবাবদিহিতা করতে বাধ্য থাকে। সরকারের কার্যক্রম স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত হয়। সরকার তার কাজে দক্ষ ও কার্যকর, সরকার জনুাকে তার শাসন কার্যক্রমের অংশ বা নিয়ে জনুার মতামতকে প্রাধন্য দেয়, জনুার আহবানে দ্রুত গড়া দেয়। যেখানে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার পরিচালন পদ্ধতি আধুনিক, সরকার সংস্থা সমূহ দূনীতি মুক্ত। যেখানে আইনের শাসন বিদ্যমান এবং সহিংসতা মুক্ত স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ বজায়ে থাকে।

সুশাসনের ইসলামী দৃষ্টি কোন
কুরআনে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নবীদের কথা অলোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজন নবী নবুওয়াতের অংশ হিসেবে শাসনকার্য পরিচালনা করেছেন। আমরা জানি যে নবীরা তদের কোন কাজই আল্লাহর নির্দেশনার বাহিরে বা নির্দেশনা ছাঙা করেন না। সেই হিসেবে এই শাসক নবী আ। এড়াবৎহ তাদের শাসনকার্য পরিচালনায় যে বৈশিষ্টগুলো ধারন করেছিলেন আমরা সে গুলোকে Good Governance এর ইসলামী দৃষ্টিকোন হিসেবে বিবেচনা করতে পারি। শাসক হিসেবে যে সব নবীদের কথা কোরআনে আলোচনা হয়েছে তারাহলেন হযরত ইউসুফ আ: হযরত জুলকারনাইন, হযরত দাউদ, হযরত সুলায়মান, হযরত মূসা, হযরত তালুত আ. এবাং সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সা। এর শাসন পরিচালনা সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী।
ইসলামী দৃষ্টিকোনে সুশাসনের কেন্দ্রে থাকেন খলিফা বা রাষ্ট্রপ্রধান। ইসলামের দৃষ্টিকোনে খলিফা বা রাষ্ট্র প্রধান কেবল শাসন কর্তাই নন বরং এটা একটা ধর্মীয় গুরুত্তবহ পদ। বিশ্বাসমতে খলিফা অল্লাহর প্রতিনিধিত্ব করেন। এবং তার কাছে সরাসরি জবাবদিহিতা করার বিশ্বাসে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা করেন।

সুশাসনের বৈশিষ্ট :
ইসলামী আইন ও মূল্যবোধ বাস্তবায়নে কার্যক্রর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নিশ্চিত করা।
যোগ্য ইসলামী নেুৃত্য তৈরীর জন্য পদ্ধতি উন্নয়ন করা।
সুদমুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
সামাজিক নিরাপত্তা জাল নিশ্চিত করা।
রাষ্ট্রিয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সুষ্ঠু ও নিরেপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
আইনের শাসন ও শৃংখলা নিশ্চিত করা।
সুষ্ঠ পরিকল্পনা এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রী করন delegation of power
জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

The model of gg in Islam

সু-শাসনের ইসলামী ধারনায় খেলাফত গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয় মানুষ ‘বর’-যার অর্থ প্রতিপালক যিনি বস্তু সর্বাধিক কল্যান নিশ্চিত করে তাকে ধাকে ধাপে ধাপে উন্নতির দিকে নিয়ে যান -এর প্রতিনিধিত্ব করার কারনে তার রাষ্ট্র পরিচালনার মূল লক্ষই থাকে সৃষ্টি জীবের সর্বোচ্ছ কল্যান নিশ্চিত করা। এটা হলো মুল লক্ষ। এই লক্ষ বাস্তবায়নে ইসলাম খলিফাকে নিরদিষ্ট গন্ডির মধ্যে থেকে বিপুল স্বাধীনুা দেয়।
এবং যেহেতু ইসলাম কেবলই একটা রাষ্ট্র দর্শন না বরং স্রষ্টা সাথে সৃষ্টির আত্বিক সম্পর্ক বিনির্মান করার একটা দর্শন, যেহেতু ইসলাম তার অনুসারীকে বিশ্বাস করায় যে, একদিন তার স্রষ্টার দরবারে তাকে তার সকল কাজের জন্য জবাবাদিহিতা করতেই হবে সেহেতু ইসলামের সুশাসন ধারনায় কেবল কিছু নির্দেশক বা বৈশিষ্টের মাঝে সীমাবদ্ধ না বরং জনকল্যানে যা যা করনীয় তা সবই সুশাসনের অন্তগর্ত।

প্রচলিত সুশাসন ও ইসলাম
বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ নির্দারিত সুশাসনের ধারনার মাঝে যদিও পুনাঙ্গ রুপে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভবনা, কারন সেখানে সুশাসনের প্রতিবন্ধক বিষয় গুলো প্রতিহত করার জন্য কিছু নিয়মনীতি দাঙ করনো হলেও সেই সব প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির পিছনে মানুষের প্রবল চিন্তা ক্ষমতাকে সুপথে চালিত করার কোন কথা বলা হয় নাই। ফলে প্রবল সৃষ্টিশীল মানুষের পক্ষে সেই সব আইন-কানুন এডড়য়ে যাওয়া কোন ব্যপার না। তারপরেও যেহেতু সুশাসনের এই চলতি ধারনা বিশ্বব্যাপি সাধারন ভাবে গৃহিত সেহেতু আমরা দেখার চেষ্টা করবো যে, এগুলো কি আদৌও নতুন আবিষ্কৃত কোন বিষয়, এগুলো কি ইসলামে আনালোচিত কোন বিষয় নাকি বহু পুর্বেই ইসলাম এসব নিয়ে কথা বলেছে এবং তা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছে।

জাতিসংঘের নির্দেশিত সুশাসনের একটি নির্দেশক হলো, শাসন ব্যবস্থায় জনগনের অংশগ্রহন
আয়াতে সুরা নিসা এর ১৫৯ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ইসলামী শাসন ব্যবস্থার মুলনীতি হিসেবে ঘোষনা করেছেন, “কাজে কর্মে আপনি তাদের সাথে পরার্র্মশ করুন”। নং শুয়ারা এর ৩৮ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন “তারা পারস্পরিক পরামর্শক্রমে কাজ করে। সুরা নিসার ৫৮ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন “তোমরা যদি কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হও তাহলে আল্লাহ ও তার রাসুলের প্রতি প্রত্যার্পন করো”। উপরুক্ত আয়াত সমূহের মাধ্যমে ইসলামী শাসনের মুলনীতিতে জনগনের অংশগ্রহন বাধ্যতামলূক করে দেয়া হয়েছে। এই বাধ্যবাধকতার প্রতিফলন আমরা রাসুল সা. এর এবং তার সাহাবাদের জীবনে দেখতে পাই। রাসুল সা। তার রাষ্ট্র পরিচালনা সংক্রান্ত সকল বিষয়ে খোলা-মেলাভাবে সাহাবাদের সাথে পরামর্শ করতেন যা খোলাফায়ে রাসেদার যুগেও অব্যহত দিলো।

সুশাসনের স্বীকৃত আরেকটি নির্দেশক হলো, স্বচ্ছতা
স্বচ্ছতার বলতে বোঝায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে ও বাস্তবায়নে যথাযথ আইন কানুন মেনে চলা এবং বনী-গরীব নির্বিশেষে সবার সাথে সমান আচরণ করা। সুরা বাকারার ২৮২ নং আয়াত যা কোরআনের সবচেয়ে বড় আয়াত সেখানে যে কোন লেনদেনে স্বচ্ছতা আনার ব্যাপারে পরিষ্কার করে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ছোট হোউক বড় হোউক সকল লেনদেনের ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সু শাসনের একটি স্বীকৃত নির্দেশক হল, জবাবদিহিতা
প্রবিত্র কোরআনে সুরা বণিঈসরাইলে ৩৬ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন “নিশ্চয় কান, চোখ ও অন্তকরণ এদের প্রত্যেকটিকে জিজ্ঞাসিত করা হবে”।

সুশাসনের আরেকটি নির্দেশক হলো, আইনের শাসন
সুরা নিসার ১৩৫ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তোমরা ন্যায়ের উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকো, আল্লাহর ওয়াস্তে ন্যায় সংঘত স্বাক্ষ দান করো, তাতে তোমাদের নিজেদের, পিতা বা নিকট আত্মীয়দের ক্ষতি হলেও তোমরা বিচার করতে গিয়ে কামনা বাসনার অনুসরন করবে না। আর ঘুরিয়ে পেচিয়ে পাস কাটিয়ে যাও, তবে তোমাদের যাবতীয় কর্মকান্ড সম্পকে তিনি অবগত”।
সুশাসনের আরেকটি নির্দেশক হলো Consensus oriented বা ঐক্যমতে ভিত্তিক।
সূরা আল-ইমরানের ১৫৯ আয়াতে আল্লাহ বলেন, “আর যখন তোমরা ঐক্যমতে পৌঁছে যাও তখন আল্লাহর উপরে ভরসা কর”।
অন্য যে কোন নির্দেশকগুলো আলাদা করে আলোচনা কর হয়েছে তা ইসলামের একটি মৌলিক কাজ করার মাধ্যমে সমাধা করেছে। ইসলাম মানুষের বিশ্বাসের একক দৃঢ়ভাবে স্থাপন করে দেয় যে, আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সর্বক্ষন তার কার্যক্রম নথিভূক্ত করা হচ্ছে এবং তার প্রতিটি কার্যক্রমকে কেয়ামতের দিন ওজন করা হবে। এবং তার ভিত্তিতে জান্নাত জাহান্নাম নিধারন করা হবে। বুখারীর সহি হাদিসে রাসূল সা। বলেন, তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং তাকে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। এই বিশ্বাস কারো মধ্যে প্রবেশ করলে তার পক্ষে আর অবৈধ কোন কিছু করা সম্ভব না। এই বিশ্বাসই ইসলামী সুশাসনের মূল ভিত্তি।
তাই আমরা বলি, যে সুশাসনের জন্যে আজ গোটা বিশ্ব ব্যাকুল; সেটা কেবল ইসলামেই সম্ভব। ইসলামই পারে যথাযথ সুশাসন আনতে, সুশাসনের লক্ষ্যে ইসলামই একমাত্র উপায়।